বিপিএল শুরু হওয়ার একদিন আগে চট্টগ্রাম রয়্যালসের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকরা। টুর্নামেন্ট পরিচালনা করতে একেবারে শেষ মুহূর্তে পুরো দলের দায়িত্ব নিতে হয় বিসিবিকে। ক্রিকেটারদের সংশয় ছিল ঠিকঠাক পারিশ্রমিক পাওয়া নিয়ে।
অবশেষে বিপিএল শেষ হওয়ার ১ মাসের মধ্যেই পুরো পারিশ্রমিক বুঝে পেলেন দলটির ক্রিকেটাররা। রেকর্ড ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় নাঈম শেখকে কিনেছিল চট্টগ্রাম। পুরোটাই বুঝে পেয়েছেন তিনি।
চট্টগ্রাম রয়্যালসের ক্রিকেটার নাঈম শেখ বলেন, ‘আগে খেলার আগে ২৫ শতাংশ পেতাম আর খেলা শুরুর মধ্যে ৬০ শতাংশ পেতাম।’
আরও পড়ুন:
বিসিবি দায়িত্ব নিয়ে চট্টগ্রামের সব বেতন শোধ করলেও, নোয়াখালী, সিলেট ও ঢাকা ক্যাপিটালস এখনও ক্রিকেটারদের শতভাগ পারিশ্রমিক পরিশোধ করেনি। ১২ আসর আয়োজন করেও এ সংকট দূর করতে না পেরে হতাশ বিপিএল কর্তারা। কর্মকর্তারা জানান, আগামী আসরে চট্টগ্রামের দায়িত্বে আসছে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি।
বিপিএল গভার্নিং কাউন্সিলর সদস্য ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, ‘এটা খুবই হতাশাজনক। আর এজন্য আমরা চাচ্ছি ভালো ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো আসুক। এবার সবচেয়ে ভালো ছিল— রাজশাহীর মতো একটা নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি এসে চ্যাম্পিয়ন হলো। আর তারা অর্থনৈতিকভাবেও ভালো।’
সব দেশ যখন ব্যস্ত তাদের দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলো উন্নত করতে, তখন বিপিএল যেন সবার থেকে পিছিয়ে। এতগুলো বছর পার করার পরও ক্রিকেটারদের পেমেন্ট পরিশোধ করতে পারাই যেন বিপিএলের বড় সফলতা। কবে এখান থেকে বের হতে পারবে বাংলাদেশের ক্রিকেট তাই এখন দেখার অপেক্ষা।





