ক্রিকেট
এখন মাঠে

অপরাজিত থেকেই সেমিফাইনালে উঠলো দক্ষিণ আফ্রিকা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অপরাজিত থেকেই সেমিফাইনালে উঠলো দক্ষিণ আফ্রিকা। সুপার এইটে নিজেদের শেষ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩ উইকেট হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নেয় প্রোটিয়ারা।

এবার আর কোন নাটকীয়তা নয়। সব রোমাঞ্চকর মুহূর্তের অবসান ঘটিয়ে সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা। স্বল্প রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল প্রোটিয়ারা। দলীয় ১৫ রানেই দুই ওপেনার হ্যান্ড্রিকস ও ডি কক হারায় দক্ষিণ আফিকা। ৭ বলে ১২ করা ডি কক আর শূন্য করা হ্যান্ডিকসকে একাই আউট করেন আন্দ্রে রাসেল।

এরপর ম্যাচে ফেরার আগেই প্রোটিয়াদের বাধা হয়ে দাঁড়ায় বৃষ্টি। এক ঘণ্টার বেশি সময় পর আবারও মাঠে গড়ায় খেলা। ফলে বৃষ্টি আইনে মিলার, ক্লাসেনদের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৭ ওভারে ১২৩ রান। এই অবস্থায় দলের হাল ধরেন অধিনায়ক মার্করাম ও স্টাবস। ১৮ রানে মার্করাম আউট হলেও ম্যাচ ধরে রাখেন স্টাবস। তিনি ক্রিজে সেট হওয়ার আগেই তাকে আউট করেন চেজ।

মিডল অর্ডারে ব্যাট করতে নেমে ২২ রানের এক ক্যামিও ইনিংস খেলে দলকে এগিয়ে নেন ক্লাসেন। এরপর দ্রুপ আরও দুই উইকেট হারালেও ইয়ানসের অপরাজিত ২১ রানে ভর করে ৩ উইকেটের জয় পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এ জয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালে উঠলো তারা।

এর আগে অ্যান্টিগায় টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ক্যারিবীয়ানদেরও। ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। দলীয় মাত্র ২ রানেই শাই হোপকে ফেরান ইয়ানসেন।

গ্রপ পর্বে দারুণ ছন্দে থাকা নিকোলাস পুরানও থামেন ১ রানে। এই ব্যাটারকে আউট করেন মার্করাম। তবে অন্যপ্রান্তে দলের হাল ধরে রাখেন কাইল মায়ার্স। আর তাকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন রস্টন চেস। ৩৫ রানে কাইল মায়ার্স আউট হলেও ফিফটি তুলে নেন চেজ। তবে ৫২ রানে চেজ আউট হলে শেষদিকে আর কেউ দাঁড়াতে পারেনি। ফলে ২০ ওভারে ১৩৫ রানের পুঁজি পায় দলটি। প্রোটিয়াদের হয়ে শামসি একাই নেন ৩ উইকেট। তার বোলিং নৈপুণ্যে ম্যাচসেরাও হন শামসি।

ইএ

এই সম্পর্কিত অন্যান্য খবর