১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনার ছিল মারিও কেম্পেস। গোল্ডেন বুট আর গোল্ডেন বল নিয়ে কেম্পেস আর্জেন্টিনাকে এনে দিয়েছিলেন তাদের প্রথম বিশ্বকাপ। ১৯৮৬ সালের ম্যারাডোনা ছিলেন রীতিমত ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিস্ময়। বিতর্ক আর অলৌকিকতার গল্পে বিশ্বকে বুঁদ করেছিলেন ম্যারাডোনা। আর ২০২২ সালে আরব্য রজনীর রূপকথার মতো আর্জেন্টিনার ত্রাতা হয়েছিলেন লিওনেল মেসি। ফুটবল নামের খেলায় সর্বকালের সেরার তকমাও নিজের করে নিয়েছিলেন সেই বিশ্বকাপ দিয়ে।
লিওনেল মেসি অবশ্য এখন বিদায়ের অপেক্ষায়। প্রশ্ন আসতেই পারে, আর্জেন্টিনাকে এরপর পথ দেখাবেন কে? উত্তরের অনেকটাই তৈরি আছে বর্তমান দলেই। এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, এনজো ফার্নান্দেজ, হুলিয়ান আলভারেজরা আলো ছড়াতে পারেন আগামী আসরেও। তবে, সবচেয়ে বড় তারকা হতে পারেন নিকো পাজ। ইতালিয়ান লিগের দল কোমো ১৯০৭-এ মেসিরই সাবেক সতীর্থ সেস্ক ফ্যাব্রিগাসের অধীনে খেলছেন পাজ। সদ্য সমাপ্ত আসরেও নিজের ঝলক দেখিয়েছেন। আগামীতে তিনিই হতে পারেন মেসির রেখে যাওয়া নাম্বার টেনের মালিক।
আরও পড়ুন:
তবে, এরচেয়ে বড় সম্ভাবনা আছে আর্জেন্টিনার যুব দলগুলোতে। ২০২৩ সালে অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ দলের ইয়ান সুবিয়াব্রে এবং অগাস্টিন রুবের্তো দেশটির বিখ্যাত ক্লাব রিভারপ্লেটের অংশ। এই দলেরই ক্লদিও এচেভেরি এখন থেকেই নাম কুড়িয়েছেন নতুন মেসি হিসেবে। ম্যানচেস্টার সিটি তাকে দলে নিয়েছে এরই মাঝে। তাদের আরেক সতীর্থ ফ্রাংকো মাস্তানতুয়ানো আছেন বিখ্যাত রিয়াল মাদ্রিদে। এছাড়া মাহের কারিজ্জোকেও আর্জেন্টাইন ভক্তরা রাখতে পারেন নজরে।
রক্ষণে আর্জেন্টিনার ভরসা হতে পারেন হুলিও সোলের। খেলছেন প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব বোর্নমাউথে। ভ্যালেন্টিন বার্কোকে চলতি মৌসুমেই দলে নিয়েছে চেলসি। তাদের নিয়েই ২০২৫ অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেছিল আর্জেন্টিনা। ৩ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ভবিষ্যৎ ঠিক কতটা সুরক্ষিত, সেটাই হয়ত জানান দিচ্ছে আগামীর তারকারা।





