থমাস ডুলি বলেন, ‘বিশ্বকাপ খেলাটা মুখের কথা নয়। এটা বাস্তবে করে দেখাতে হয়। সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে আমাদের।’
ফুটবল বিশ্বকাপ আসলেই আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, স্পেন নীল-হলুদ-লাল কতভাগেই না ভাগ হয়ে যায় লাল-সবুজের বাংলা। নিজেরা কখনোই অংশগ্রহণ করতে না পারলেও ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ নিয়ে উন্মাদনার কমতি নেই এদেশে। কিন্তু দেড় লাখ জনসংখ্যার কুরাসাও কিংবা ছোট ছোট দ্বীপপুঞ্জের দেশ কেপ ভার্দে যদি পারে বিশ্বমঞ্চ মাতাতে, তাহলে বাংলাদেশ কেন পারে না?—এমন প্রশ্নের উত্তরে তাই চিরাচরিত সহজ সত্যিটাই অকপটে স্মরণ করিয়ে দিলেন বাংলাদেশের কোচ থমাস ডুলি। জানালেন, বিশ্বমঞ্চে যেতে হলে আগে পরিবর্তন আনতে হবে দেশের ফুটবলের অবকাঠামোতে।
ডুলি বলেন, ‘আমাদের একাডেমি গড়ে তুলতে হবে, ক্লাবগুলোর নিজেদের আলাদা একাডেমি থাকতে হবে। এমন ক্লাব থাকতে হবে, যেখানে তরুণরা নিয়মিত কোচদের অধীনে খেলতে পারবে।’
তবে এখনই বাংলাদেশকে হতাশার কথা শোনাতে চান না দুই বিশ্বকাপ খেলা থমাস ডুলি। তিনি জানান, আগামী ৮-১৬ বছরের মধ্যে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ আছে বাংলাদেশেরও। তবে নজর দিতে হবে তৃণমূল ফুটবলেও।
প্রতিটি পেশাদার দলকে তাদের নিজেদের খেলোয়াড়দের তৈরি করে নিতে হয়। ভালো জায়গায় পৌঁছাতে ১২-১৮ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের সপ্তাহে ৫ দিন খেলার সুযোগ করে দিতে হবে। যখন আপনি বিশ্বমানের খেলোয়াড়দের দিকে তাকাবেন, দেখবেন তারা ছুটিতেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফুটবল খেলে। এজন্যই তারা অন্যদের থেকে এগিয়ে।
আরও পড়ুন:
কোচ বলেন, ‘প্রতিটি পেশাদার দলকে তাদের নিজেদের খেলোয়াড়দের তৈরি করে নিতে হয়। ভালো জায়গায় পৌঁছাতে ১২-১৮ বছর বয়সী শিশু কিশোরদের সপ্তাহে ৫ দিন খেলার সুযোগ করে দিতে হবে। যখন আপনি বিশ্বমানের খেলোয়াড়দের দিকে তাকাবেন, দেখবেন তারা ছুটিতেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফুটবল খেলে। এজন্যই তারা অন্যদের চেয়ে এগিয়ে।’
বাংলাদেশের ম্যাচ মানেই প্রতিপক্ষ ভুটান, নেপাল কিংবা মালদ্বীপ। সম্প্রতি হামজা-শোমিতরা প্রথমবার খেলার সুযোগ পেয়েছেন ইউরোপিয়ান দেশ সান মারিনোর বিপক্ষে। তবে ডুলি মনে করেন, বড় দল হয়ে উঠতে হলে আগে শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে বেশি বেশি ম্যাচ খেলতে হবে।
জাতীয় দলের এ কোচ বলেন, ‘আপনার যদি অভিজ্ঞতা না বাড়ে, তাহলে ৮-৯ মাস পর পর একটা বড় ম্যাচ খেলে ৪-৫ গোলে হারবেন। এরপর আবার ছোট একটা দলের সাথে খেলে হয়তো ২-৩ গোলে জিতবেন। এটা খুবই সহজ কাজ, এটা সঠিক পদ্ধতি নয়। এজন্য তরুণদের অগ্রগতির সেরা উপায় হচ্ছে প্রতিযোগিতাপূর্ণ ম্যাচ খেলা।’
আপনার যদি অভিজ্ঞতা না বাড়ে, তাহলে ৮-৯ মাস পর পর একটা বড় ম্যাচ খেলে ৪-৫ গোলে হারবেন। এরপর আবার ছোট একটা দলের সঙ্গে খেলে হয়ত ২-৩ গোলে জিতবেন। এটা খুবই সহজ কাজ, এটা সঠিক পদ্ধতি নয়। এজন্য তরুণদের অগ্রগতির সেরা উপায় হচ্ছে প্রতিযোগিতাপূর্ন ম্যাচ খেলা।
ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে জায়গা পেতে ডুলি জানালেন ৫টি পরিকল্পনার কথা। হামজা-শমিতদের কোচের মতে, লক্ষ্য নির্ধারণ করে সেই অনুযায়ী কাজ করে, পরিকল্পনা গুলোর বাস্তবভিত্তিক প্রয়োগ করলে বাংলাদেশের পতাকাও একদিন উড়তে পারে বিশ্বকাপের মঞ্চে, নতুবা তা থেকে যাবে অধরা স্বপ্ন হিসেবেই।




