তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর তলাবিহীন এক ঝুড়ি থেকে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথে যাত্রা শুরু করে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে। ফ্যাসিবাদের পতনের পর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এবার বাংলাদেশ পুনর্গঠনের পালা।’
তিনি আরও বলেন, ‘জাতি গঠন এবং গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী করতে বিএনপির ৩১ দফা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন জরুরি। তা বাস্তবায়ন করবে বিএনপি।
রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সমাজের প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে বলে জানান বিএনপির চেয়ারম্যান।
তারেক রহমান বলেন, ‘গণমাধ্যম এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে বিএনপি। গণমাধ্যম ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা ছাড়া জবাবদিহিতা নিশ্চিত সম্ভব নয়।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের তালিকা প্রণয়ন এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিশ্চিতকরণ। গণঅভ্যুত্থান ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের শহিদদের নামে সরকারি স্থাপনার নামকরণ। সহায়তা প্রদান, শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আলাদা বিভাগ প্রতিষ্ঠা।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি একমাত্র দল, যারা দেশের স্বাধীনতা, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানসহ প্রতিটি আন্দোলনকে ধারণ করে।’
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা হবে। জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা হবে।’
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে দুর্নীতির বিস্তার রোধ করা হবে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
তারেক রহমান বলেন, ‘রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্টেক হোল্ডার যারা আছেন সবার মতামতের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে। দেশে সুশাসন নিশ্চিতের পাশাপাশি দুর্নীতির বিস্তার রোধ করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘ক্ষমতায় গেলে আল্লাহর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসকে রাষ্ট্র পরিচালনায় সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করবে বিএনপি। ন্যায়পাল নিয়োগের মধ্যে দিয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করতে চায় বিএনপি।’
বিএনপি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে বলেও জানান তারেক রহমান।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। কারণ আমি নিজে একপাক্ষিক বিচার বিভাগের ভুক্তভোগী। সেজন্য বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।’





