ভুক্তভোগী শামসুল আরেফিন অভিযোগ করেন, তিনি বারইয়ারহাট এলাকায় একটি কোম্পানির মার্কেটিংয়ের কাজ করেন। মঙ্গলবার কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় এক বন্ধুর সঙ্গে কথা বলছিলেন। এসময় ১০-১২ জন যুবক তাদের দিকে তেড়ে এলে তার বন্ধু দৌড়ে পালিয়ে যান। একপর্যায়ে ওই ব্যক্তিরা তাকে মারধর করে জোরপূর্বক একটি সিএনজিতে তুলে নিয়ে নির্যাতন করে।
তার দাবি, নির্যাতনের সময় তার হাতে একটি অস্ত্র ধরিয়ে দিয়ে বিভিন্নভাবে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টা করেও স্বীকারোক্তি আদায় করতে না পেরে তাকে মুহুরীগঞ্জ বাজার এলাকায় নিয়ে আটকে রাখা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করেন।
আরও পড়ুন:
ফেনী-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাড. এসএম কামাল উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, ‘ভোটারদের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিএনপিকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।’
তিনি দাবি করেন, ঘটনায় জড়িতদের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন— মো. হোসেন চৌধুরী রাকিব, নুর নবী চৌধুরী, শাহাদাত হোসেন পাটোয়ারী, মেজবাহ উদ্দিন রুবেল, আইয়ুব নবী, জাহাঙ্গীর আলম ও একরামুল হক তৌহিদ। তাদের সবাই বিএনপির নেতাকর্মী বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. হোসেন চৌধুরী রাকিবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিন মিয়া বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শামসুল আরেফিনকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’





