হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘এই নির্বাচন ১৪০০ শহিদের রক্তের নির্বাচন। এই নির্বাচনের জন্য আমাদের রক্ত দিতে হয়েছে। প্রশাসনের ভাইয়েরা আপনারা যদি বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে যান, আবার ৫ই আগস্ট নেমে আসবে। এই দেশটা ঠিক করতে হলে প্রশাসনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। যদি ভোট চোরদের হাতে দেশটা তুলে দেন, এই ভোট চোররা আপনার সন্তানদেরকে রাস্তার মধ্যে গুলি করার জন্য আপনাকেই নির্দেশ দিবে। ওসি-ডিসিরা, এসপি-এসআইরা সিদ্ধান্ত আপনাদের। আপনারা কি ক্ষমতা ভোট চোরদের হাতে তুলে দেবেন নাকি জনতার হাতে তুলে দেবেন।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘কিছু কতিপয় লোভী বেনজীর-হারুন আবার উদয় হয়েছে, বিপ্লবরা আবার উদায় হয়েছে। পুলিশ ভাইয়েরা আপনারা বেনজীর থেকে শিক্ষা নেন, আপনারা বিপ্লব থেকে শিক্ষা নেন। আমরা বিশ্বাস করতে চাই আগামী যে নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনে কোনো এসপির জন্য টাকা রাখতে হবে না। কোনো ওসির জন্য, এসআইয়ের জন্য টাকা রাখতে হবে না।’
এসময় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা যে বাংলাদেশ গড়ে তুলবো, সেই বাংলাদেশ হবে দুর্নীতিমুক্ত। আমরা যখন রাজনীতি শুরু করি আমরা বলেছি, আমরা শুধু খেলা চেঞ্জ করবো এটা না। আমরা খেলার নিয়মটাই পাল্টে দেব।’
এ সময় গণমাধ্যমের সমালোচনা করে হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, ‘মিডিয়ার ভাইয়েরা আমরা জানি আপনারা নিরুপায়। তৃণমূলের সাংবাদিকরা এসে আমাদেরকে জানায় ভাই আমরা খবরটা পাঠাই। এই খবরটা কেটে দেয়া হয়। অন্যদিকে আমরা দেখলাম সারা মিডিয়ায়, সবজায়গায় একটা দলের শুধুমাত্র বন্দনা-প্রশংসা; শুধুমাত্র বিএনপির জন্য। মিডিয়া খবরের মাঝে-মাঝে বিএনপির প্রচারণা চালায়। আগামী নির্বাচনে আপনারা যদি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন না করেন, জনগণ এবার মিডিয়াকেও লাল কার্ড দেখাবে।’
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নবীনগর শাখার আমির মোখলেছুর রহমানের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মোবারক হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট শাখার নির্বাহী সদস্য আব্দুল বাতেন, এনসিপির সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জিহান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নির্বাহী সভাপতি মাইনুল ইসলাম খন্দকার প্রমুখ।





