ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বিশেষ করে বিএনপি এবং জামায়াত নেতৃবৃন্দকে সংযত হতে হবে। রাজনীতিবিদরা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একজনের বিরুদ্ধে আরেকজন কথা বলে কিন্তু এটা যেন শত্রুতার পর্যায় চলে না যায়।’
তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোকে এটা মাথায় রাখতে হবে কথাগুলো যেন প্রতিযোগিতামূলক এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয়। এটা যেন প্রতি হিংসার লেভেলে পরিণত না হয়। তাহলে এর প্রতিফলন গ্রামে-গঞ্জে পাড়ায় মহল্লায় ও দেখা যাবে এবং তা সহিংসতায় পরিণত হতে পারে। এজন্য সম্মানটা বজায় রেখেই সমালোচনা করা উচিত।’
ফুয়াদ আরও বলেন, ‘আমি বক্তব্য দিচ্ছি, কিন্তু বিএনপি শব্দটি উচ্চারণও করিনি। প্রতিপক্ষের নাম একবার উচ্চারণ করিনি প্রতিপক্ষকে একবারও ঘায়েল করে কথা বলিনি। ওভারঅল রাজনীতি এবং নির্বাচন নিয়ে আমাদের একটা শঙ্কা আছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে সহিংসতা এবং সংঘর্ষের একটা ইতিহাস আছে। সকল দলকে মাথায় রাখতে হবে।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন জোটের প্রার্থী নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা হয়েছে। এর আগের দিন এনসিপির আরেক নেতা আদিবের ওপর আক্রমণ হয়েছে। আমরা বিএনপি নেতাকর্মীদের এ ব্যাপারে সমালোচনা করেছি আমরা বলেছি যে, তারেক রহমান যে ধরনের রাজনীতি করতে চান বলে উনি আশ্বাস দিয়েছেন। এটা এটার সঙ্গে যায় না।’
এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা ঘটলে তারা যেন ব্যবস্থা নেন সেই অনুরোধ রইলো। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আমাদের সকল পক্ষের জন্য জরুরী। যে ধরনের ঘটনা আমরা ভিডিওতে দেখতে পাচ্ছি অনলাইনে ঘুরে বেড়াচ্ছে মহিলাদেরকে অপমান করা অপদস্থ করা বাজে মন্তব্য করা ঘটনা ঘটছে হেনস্তা করা হচ্ছে। এ ঘটনাগুলো বন্ধ করা দরকার।’
দলের নেতাকর্মীদের বিষয়ে তিনি জানান, নেতাকর্মীরা হুমকি ধমকির শিকার হচ্ছেন, ভয় ভীতি দেখানো হচ্ছে। ক্যাম্পিংয়ে বাধা দেয়ার ও অভিযোগ করেন তিনি ।





