তবে এই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া একজন ছাড়া বাকি দুই ছিনতাইকারী এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বলেন, ‘দায়িত্ব পালনকালে সরকারি অস্ত্র খোয়া যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে এএসআই লুৎফর রহমানকে ক্লোজড করা হয়েছে। একইসঙ্গে পলাতক আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
আরও পড়ুন:
পুলিশ জানায়, গত সোমবার (৯ মার্চ) ভোরে নিতাইগঞ্জ এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে মোটরসাইকেলে আসা তিন ছিনতাইকারী এএসআই লুৎফর রহমানের ওপর হামলা চালিয়ে তার ব্যবহৃত গুলিভর্তি পিস্তল ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পরপরই জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক দল অভিযান শুরু করে।
পরে ওই দিন সন্ধ্যায় মিশাল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার দিবাগত রাত প্রায় পৌনে ৩টার দিকে বন্দর উপজেলার উইলসন রোড এলাকার শরিফ উদ্দিনের বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত একটি প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় ছিনতাই হওয়া পিস্তলটি উদ্ধার করা হয়।
এসময় একটি চাপাতি, একটি ছোরা এবং একটি বড় চাকুও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
এ ঘটনায় এএসআই লুৎফর রহমান বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে দস্যুতার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। পাশাপাশি অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় অস্ত্র আইনে আরও একটি পৃথক মামলা করা হয়েছে।





