কাথেরিনা রাইখে বলেন, ‘সরবরাহ ঘাটতি মোকাবিলার একটি কার্যকর উপায় হিসেবে জার্মানি এ উদ্যোগে অংশ নেবে। এমন বড় পদক্ষেপের মাধ্যমে বাজারে স্পষ্ট বার্তা দেয়া প্রয়োজন, যাতে অযথা ভয় বা অনিশ্চয়তার কারণে তেলের দাম বাড়তি ঝুঁকিভাতা (রিস্ক প্রিমিয়াম) যোগ হয়ে না বাড়ে এবং সুযোগ নিয়ে কেউ অতিরিক্ত মুনাফা করতে না পারে।’
আরও পড়ুন:
এদিকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানিয়েছেন, আইইএর আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের অপেক্ষা না করে দেশটি বেসরকারি খাতের ১৫ দিনের এবং রাষ্ট্রীয় এক মাসের তেল মজুত বাজারে ছাড়বে।
তিনি জানান, এ পদক্ষেপ চলতি মাসের ১৬ তারিখ থেকেই শুরু হতে পারে। অস্ট্রিয়াও নীতিগতভাবে এমন সিদ্ধান্তে সমর্থন দিয়েছে।
আইইএ শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও এ বিষয়ে সংস্থাটি এখনো মন্তব্য করেনি।





