আজ (বুধবার, ২১ জানুয়ারি) দুপুরে নেত্রকোণা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
কায়সার কামাল বলেন, ‘একই খরচে একই দিনে গণ ভোট ও জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন একটি চমৎকার আইডিয়া। এর মাধ্যমে আমরা সংস্কারের কাজও সম্পন্ন করতে পারবো এবং জাতীয় নির্বাচনের যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গণভোটের বিষয়টি যেহেতু রাষ্ট্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবেই গণভোটে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এটাই হচ্ছে একটা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। গণভোট হচ্ছে “হ্যাঁ” কিংবা “না”। অর্থাৎ রাষ্ট্রীয়ভাবে যে ঐকমত্য হয়েছে সব রাজনৈতিক দলের, সেই ঐকমত্যের বিষয়ের ওপরে মানুষের সমর্থন আছে কি না এজন্যই গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং আমার কাছে মনে হয়, এটি একটি চমৎকার আইডিয়া।’
আরও পড়ুন:
গণভোটের প্রচারণায় বিএনপির অবস্থান কী?— এমন প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘এ প্রশ্ন আগেও করা হয়েছে। আমাদের দলের স্ট্যান্ডিং কমিটির মেম্বার নজরুল ইসলাম সাহেব সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। যে গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে “হ্যাঁ” কিংবা “না” এর মধ্যে। আমাদের দল থেকে যেসব প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে, সব প্রস্তাবনাই “হ্যাঁ” পক্ষে এসেছে।’
এছাড়াও নির্বাচনের পরিবেশ, প্রচার-প্রচারণা নিয়ে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে হয়তো আমি ধানের শীষের প্রতীক পেয়েছি। তবে আমি মনে করি, এ প্রতীক গণতন্ত্রের প্রতীক, বাংলাদেশের প্রতীক। কারণ গত ১৭-১৮ বছর তিনটা-চারটা জাতীয় নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। আমরা প্রত্যাশা করছি, গণতন্ত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠা করার জন্য। আজকে প্রথম মাইলস্টোন স্থাপিত হলো প্রত্যেক রাজনৈতিক দলকে প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে। বাংলাদেশের মানুষ রক্ত দিয়েছে, অনেক হত্যা হয়েছে, গুম হয়েছে। সর্বশেষ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শত শত ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে আজকের এ দিনটা আমরা পেয়েছি। মানুষ তার ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে।’
এর আগে, আজ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমানের কাছ থেকে প্রতীক সংগ্রহ করেন। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি) থেকে তার নিজ নির্বাচনি এলাকা নেত্রকোনা-১ আসনে দুর্গাপুর কলমাকান্দার একটি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়নে প্রচার-প্রচারণা শুরু করবেন বলেও জানান তিনি।





