আজ (রোববার, ১৮ জানুয়ারি) বিকেলে সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের চাঁনপুর বাজার এলাকায় এক উঠান বৈঠকে এ সতর্কবার্তা দেন তিনি।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর পর বাংলাদেশে একটা নির্বাচন আসছে। আমার আসনের ৫ লাখ ভোটার প্রত্যেকেই ভোটকেন্দ্রে যাবেন, নিরাপদে-নিশ্চিন্তে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন। আমি আশা করব পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে একটা ভোটের পরিবেশ তৈরি করবে। আমরা আশা করব কোনো দলের প্রার্থী বা কর্মীরা অন্য কোনো প্রার্থী বা কর্মীদেরকে কোনোরকম ভয়ভীতি দেখাবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করব প্রশাসন, পুলিশ, নির্বাচন কমিশন ও সরকার নিরপেক্ষ থাকবে। আর যদি নিরপেক্ষতার কোনো ঘাটতি আমরা দেখি ৫ আগস্টের কথা সবাই স্মরণে রাখবেন। সারা বাংলাদেশে যে ৫ আগস্ট হয়েছিল, সেটা যেকোনো আসনেই কিন্তু হতে পারে। প্রশাসনকে অনুরোধ করব নিজের আইনের ভেতরেই আপনারা কাজ করবেন। কোনো প্রার্থীকে ডান চোখে আর কোনো প্রার্থীকে বাম চোখে দেখবেন না। প্রশাসনকে বিনীতভাবে অনুরোধ করব আইন সকলের জন্য সমান, আইনের প্রয়োগও যেন সবার ক্ষেত্রে সমান হয়।’
এর আগে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামাবাদ এলাকায় ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার নির্বাচনি প্রচারণামূলক সমাবেশ বন্ধ করে এক সমর্থককে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেন রুমিন ফারহানা। এ ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় উঠে।





