আজ (শুক্রবার, ১৩ মার্চ) বিকেলে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে হুইলচেয়ার বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার উন্নয়নে অনেক শিক্ষানুরাগীর বিশেষ অবদান রয়েছে। সমাজে যাদের ইতিবাচক ভূমিকা আছে, তাদের কীভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘ম্যানেজিং কমিটিতে অর্ধশিক্ষিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার যে তথ্য বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার হয়েছে, তা অসম্পূর্ণ ও বিকৃত।’ শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করার প্রশ্নই ওঠে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি।
আরও পড়ুন:
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘পাবলিক পরীক্ষার আইন পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। তবে আগামী ২১ এপ্রিল শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নতুন আইন বাস্তবায়ন সম্ভব না হলেও পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।’
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘পুরনো পদ্ধতির পরিবর্তে নতুন ও যুগোপযোগী বাস্তবসম্মত নিয়মে ভবিষ্যতে এসএসসি পরীক্ষা নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থী, ইনভিজিলেটর ও পর্যবেক্ষকদেরও নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে আনার উদ্যোগ নেয়া হবে।’
কচুয়াকে শিক্ষার রোল মডেল হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘সারা দেশের আগে কচুয়াকে শিক্ষার রোল মডেল করতে চাই। এখান থেকেই শিক্ষার উন্নয়নের মডেল সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে। কারণ আগে নিজের ঘর ঠিক করতে হবে।’
এসময় সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বক্তব্য খণ্ডিতভাবে নয়, প্রকৃত সত্য তুলে ধরার মাধ্যমে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করার আহ্বান জানাই।’





