Recent event

উচ্চ ভূমিকম্প ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: পূর্বপ্রস্তুতি-সচেতনতা তৈরির আহবান ফায়ার সার্ভিসের

ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে ঢাকার বেশ কয়েকটি এলাকা | এখন টিভি
0

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকা অঞ্চল ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। ভূমিকম্প মোকাবিলার জন্য সকল পর্যায়ে পূর্বপ্রস্তুতি ও সচেতনতা তৈরিতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর বিভিন্ন নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছে। আজ (শনিবার, ২৯ মার্চ) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল (শুক্রবার, ২৮ মার্চ) মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে পর পর দুইটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ফলে এই দেশ দুটি বেশ ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। বাংলাদেশেও ভূমিকম্প হওয়ার বড় ধরনের আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষত চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং ঢাকা অঞ্চল উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

এ অবস্থায় ভূমিকম্প মোকাবিলার জন্য সকল পর্যায়ে পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ ও সচেতনতা তৈরিতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর বেশকিছু ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

আরো পড়ুন: ভূমিকম্পে মিয়ানমারে নিহতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড ২০২০ অনুযায়ী ভূমিকম্প প্রতিরোধী ভবন নির্মাণ করতে, ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো ভবনগুলোর সংস্কার ও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেছে।

অধিদপ্তর সকল বহুতল ও বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নি প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করতে, ইউটিলিটি সার্ভিসসমূহ যেমন- গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের লাইনের সঠিকতা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া ভূমিকম্প চলাকালীন সময়ে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি পর্যায়ে বিভিন্ন করণীয় সম্পর্কে নিয়মিত মহড়া অনুশীলন ও প্রচারের ব্যবস্থা করতে এবং জরুরি টেলিফোন নম্বর যেমন ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, পুলিশ, হাসপাতাল ও অন্যান্য জরুরি নাম্বারসমূহ ব্যক্তিগত পর্যায়ের পাশাপাশি সকল ভবন বা স্থাপনায় সংরক্ষণ করা এবং তা দৃশ্যমান স্থানে লিখে রাখার পরামর্শ দিয়েছে।

আরো পড়ুন:

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর দুর্যোগকালীন সময়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে ভলানটিয়ার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, জরুরি প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য সরঞ্জামাদি যেমন- টর্চলাইট, রেডিও (অতিরিক্ত ব্যাটারিসহ), বাঁশি, হ্যামার, হেলমেট/কুশন, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী, ফার্স্ট এইড বক্স, শিশু যত্নের সামগ্রী ইত্যাদি বাসা-বাড়িতে নির্ধারিত স্থানে সংরক্ষণ করা যাতে ভূমিকম্প পরবর্তীতে আটকা পরলে তা ব্যবহার করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করা যায়।

আরো পড়ুন: ভূমিকম্পে মিয়ানমার-থাইল্যান্ডের ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি তারেক রহমানের সমবেদনা

বিজ্ঞপ্তিতে সকল পর্যায়ে তদারকি সংস্থার কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, এসব বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিভিন্ন কার্যক্রম চালু রেখেছে।

এছাড়াও যে কোনো তথ্যের জরুরি প্রয়োজনে ০১৭২২৮৫৬৮৬৭ মোবাইল নম্বর ও ১০২ হটলাইন নম্বরে যোগাযোগের অনুরোধ জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।—বাসস

এসএইচ