গেলো বছরে ১৬ জুলাই। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদে উত্তাল। এমন পরিস্থিতিতে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ রাজপথে প্রতিবাদে নামেন।
ক্যাম্পাসের সড়কে পুলিশের সামনে বুক চিতিয়ে দুহাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে যান সাহসী আবু সাঈদ। এক পর্যায়ে তার ওপর গুলি চালায় পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গে লুটিয়ে পড়েন সড়কে। এই দৃশ্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যা দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়ে সারাদেশের ছাত্র-জনতা। প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। আন্দোলন জোড়ালো হয় আবু সাঈদকে হত্যার পরই।
আবু সাঈদ প্রথম প্রাণ হারান জুলাই আগস্টের আন্দোলনে। এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়। গ্রেপ্তার করা হয় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, দুই পুলিশ সদস্যসহ চারজনকে।
রোববার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবু সাঈদের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার চারজনকে হাজির করার নির্দেশ দেন। ৯এপ্রিল তাদের হাজির করা হবে।
এদিকে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলায় চলা তদন্তের যেকোনো একটি প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা কথা জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।
আবু সাঈদের হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এপ্রিলে দাখিল করার কথা জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর।