সারসংক্ষেপে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির প্রধান পথ হিসেবে বলা হয়েছে আর্থিক খাত, উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি, অযৌক্তিক কর ছাড়, সরবরাহ ব্যবস্থায় ত্রুটি সৃষ্টি।
এছাড়া এতে বিগত সরকারের দুর্নীতির গভীরতাও তুলে ধরা হয়েছে। শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার করা হয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্পে গড়ে ৭০ শতাংশ ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এছাড়া রাজনৈতিক প্রভাব এবং অযৌক্তিক প্রকল্প ব্যয়ের মাধ্যমে ১৪ থেকে ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ অপচয় করা হয়েছে বিগত সরকারের আমলে। দেশি উৎপাদন ও সরবরাহের অসত্য উপাত্ত উপস্থাপনের মাধ্যমে অর্থনীতি সম্পর্কে ভুল ধারণা দেয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
আর্থিক খাতের দুর্নীতির পরিমাণ ১৪টি মেট্রোরেল বা ২৪টি পদ্মা ব্রিজের খরচের সমান। এবং হুন্ডি ব্যবসার মাধ্যমে প্রায় ১৩.৪ লাখ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে শ্বেতপত্রে।
শ্বেতপত্রে আরও বলা হয়েছে, সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতায় প্রদত্ত ভাতার সুবিধাভোগী নির্বাচনে দুর্নীতি। ২০২২ সাল পর্যন্ত যাদের ভাতা দেয়া হয়েছে তাদের প্রায় ৭০ শতাংশ গরীব নয়।