শনিবার বিকেলে কলকাতায় শুরু হয় বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের ৯০তম বৈঠক। ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এটিই তাদের শেষ বৈঠক। স্বাভাবিকভাবেই এ নিয়ে প্রত্যাশার কমতি ছিলো না দুই দেশের মানুষের। বহুল আলোচিত গঙ্গা চুক্তির পুনরায় নবায়ন প্রসঙ্গে বড় সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা ছিলো তাদের।
প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার আলোচনার পর বৈঠক শেষ হয় সন্ধ্যা ৭টায়। তবে দু’পক্ষই এ নিয়ে সংবাদকর্মীদের সামনে মুখ খুলতে নারাজ। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়েই হোটেল ছাড়েন তারা।
সরকারিভাবে কিছু না জানানো হলেও যৌথ নদী কমিশনের এবারের বৈঠকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির পুনরায় নবায়ন ইস্যুটি।
এর আগে বৈঠকে যোগ দিতে বুধবার ঢাকা থেকে কলকাতায় আসেন বাংলাদেশের ছয় সদস্যের এক প্রতিনিধিদল। নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশের যৌথ নদী কমিশনের সদস্য মোহম্মদ আনোয়ার কাদীর। আর ভারতের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন কেন্দ্রের পানিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্ম সচিব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ দপ্তরের একজন প্রধান প্রকৌশলী।
বৃহস্পতিবার ফারাক্কা বাঁধ ও গঙ্গা নদীর পানি প্রবাহ পরিদর্শন করে দুই দেশের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। ফারাক্কায় গঙ্গা নদীতে ভারত-বাংলাদেশ ‘জয়েন্ট অবজারভেশন সাইট’—এ গিয়ে পানি প্রবাহের বিষয়টি খতিয়ে দেখেন তারা।





