এসময় তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তিনবার শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বসেছে সমস্যা নিরসনে। সরকার এই বিষয়ে আন্তরিক।’
তিনি জানান, জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য আরও একটি এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউ ক্রয়াদেশ দেয়া হয়েছে, সেই সঙ্গে আরও তিনটির জন্য বিনিয়োগকারী খোঁজ চলছে।
ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ঠিক না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে অপেক্ষা করতে হবে, নতুন নতুন কূপ খননের জন্য সরকার কাজ শুরু করেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, ২০২৯ সালের মধ্যে আরও তিনটি এফএসআরইউ ক্রয়ের বা স্থাপন কথা মাথায় রেখে সরকার এগোচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সবশেষে জানান জ্বালানি খাত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপ্রচার হচ্ছে, ২০২৯ সালের মধ্যে শতভাগ জ্বালানি প্রাপ্তি নিশ্চয়তা প্রদানে সবাই একযোগে কাজ করছে।
অপরদিকে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, ‘জ্বালানি সংকটে নানা খাত হুমকির মুখে। এর কারণে ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। শিল্পগুলোকে সুরক্ষা সরকারকেই দিতে হবে। ব্যবসা করা দিন দিন কঠিন হয়ে পরেছে।’





