ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ‘বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর সরকার এখন ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে বিশেষ জোর দিচ্ছে। ত্রাণ বিতরণে কোনো ধরনের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এলে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছি।’
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তার ক্ষেত্রে কোনো রাজনীতি নেই। যারাই ক্ষতিগ্রস্ত, তাদের সবার কাছেই ত্রাণ পৌঁছাতে হবে।’
আরও পড়ুন:
নদী ও খাল খনন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিল যে, আমরা রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দেশের খালগুলো পুনঃখনন করব। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে যে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন, তার ফলে তখনকার খাদ্য ঘাটতি দূর করে খাদ্য উদ্বৃত্ত হয়েছিল এবং তা বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হয়েছিল। আজ সরেজমিনে দেখলাম, খাল খননের সুফলের কারণে অনেক এলাকায় দ্রুত পানি নিষ্কাশন হয়েছে।’
বক্তব্য শেষে মন্ত্রী খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। এসময় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পাসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।৮





