প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি আমাদের শুধু ভাগ্যোন্নয়ন হলে হবে না। এই দেশের প্রান্তিক জনগণ- অর্থাৎ আপনাদের যেদিন জীবনমান উন্নত হবে, আপনাদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হবে- ওইদিনই বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর হবে। এর আগে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর বা উন্নত বিশ্বের মতো হতে পারবে না।’
এর আগে দুপুর ২টায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বারবিন্দুরঘাট বাঁধ পরিদর্শন করেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার, নদী খনন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য বিভিন্ন এনজিওর এক মাসের ঋণের কিস্তি স্থগিত রাখার আশ্বাস দেন।
আরও পড়ুন:
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পার্বত্য অঞ্চলের প্রতিটি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ অঞ্চলে কোনো ধরনের বিভেদ বা বৈষম্য থাকবে না। পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্য, শিল্প-সংস্কৃতি ও কৃষিভিত্তিক সম্ভাবনাকে আরও বিকশিত করা গেলে শুধু এখানকার মানুষের জীবনমানই উন্নত হবে না, দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এবং বৈদেশিক আয়ের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।’
বন্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এবারের বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই বন্যাটা কোনো প্রাকৃতিক বিষয় না, এটি মানবসৃষ্ট। খাল, নদী ও জলাধার দখল এবং প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বেড়েছে।’
সেজন্য জলাশয় রক্ষা ও দখলমুক্ত রাখতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এসময় তিনি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতি পুষিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন, দুর্গত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে ক্ষয়ক্ষতির সর্বশেষ তথ্য ও পুনর্বাসন কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।





