একদিকে উল্লসিত ফিফা অন্যদিকে আর্থিক সংকটে বিশ্বকাপের আয়োজক ১১ শহর

ফুটবল বিশ্বকাপ বিজয়ীদের তালিকা ১৯৩০ থেকে ২০২২
ফুটবল বিশ্বকাপ বিজয়ীদের তালিকা ১৯৩০ থেকে ২০২২ | ছবি : সংগৃহীত
0

বিতর্ক যেন থামছেই না শেষ হওয়া ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ নিয়ে। বিশ্বমঞ্চে ফুটবলের উন্মাদনা কোটি ভক্তকে আনন্দ দিলেও, পর্দার আড়ালে যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি আয়োজক শহরের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ। কোটি কোটি ডলার আয় করে ফিফা যখন উল্লসিত, আমেরিকার বড় বড় শহরগুলো তখন ভুগছে তীব্র আর্থিক সংকটে।

মাঠের লড়াই শেষে বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফি নিয়ে উদযাপন শেষ হয়েছে ১৫ দিন আগে। তবে বিশ্বকাপ নিয়ে বিতর্ক যেন শেষই হচ্ছে না। এবারের বিশ্বকাপ হয়েছে তিন দেশে। এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি, বোস্টন, লস অ্যাঞ্জেলস, ডালাসসহ ১১ টি শহরে হয়েছে বিশ্বকাপ ফুটবল বেশিরভাগ ম্যাচ।

বিশ্বকাপ শেষের দুই সপ্তাহ পার হলেও ফিফার সঙ্গে চুক্তি হওয়া কোটি কোটি অর্থ বকেয়া-ই রয়েছে আমেরিকার শহরগুলোর। সম্প্রতি দ্য অ্যাথলেটিক সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিশ্বকাপ শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি শহরের সঙ্গে মৌখিক চুক্তি হয় ফিফার। সে অনুযায়ী ১ মিলিয়ন ডলার করে ফিফার দেয়ার কথা ছিল মোট ১১ মিলিয়ন ডলার। তবে প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা সময়মতো রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে বিশ্ব ফুটবল সংস্থাটি।

বিশাল অঙ্কের এই বকেয়া অনুদান তো রয়েছেই, পাশাপাশি টুর্নামেন্ট চলাকালে ফিফার কঠোর বাণিজ্যিক নীতিমালার কারণে শহরগুলোর স্থানীয় আয়ের সব পথ এখন অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। তাতে বিশাল অঙ্কের অর্থ খরচে এবার লোকসানের শঙ্কায় রয়েছে এসব শহর।

এর আগে ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ক্লাব বিশ্বকাপের আগে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ঘোষণা অনুযায়ী টুর্নামেন্টের আয়োজক ১১টি শহরের প্রত্যেকটিকে ফিফা ১ মিলিয়ন ডলার করে অনুদান দেয়। একে লিগ্যাসি কন্ট্রিবিউশন বা ঐতিহ্য রক্ষার অনুদান হিসেবে অভিহিত করা হয়েছিল।

এবারও বিশ্বকাপ শুরুর আগে আয়োজক শহরগুলো অনুদানের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েই কাজ শুরু করে। তবে এখন পর্যন্ত ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করে কোনো সমাধান করতে পারছে না শহরগুলো। এই সমস্যার সমাধান শিগগিরই না হলে ফিফা সভাপতির চলমান বিতর্কের মধ্যে এই সমালোচনায় নতুন করে চাপে পড়তে পারেন তিনি।

ইএ