আজ (সোমবার, ১৩ জুলাই) চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া ইউনিয়নের বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেয়া এবং ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও বন্যায় মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি দুর্গত, অসহায় ও খাদ্যসংকটে থাকা মানুষের কাছে খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেয়া হবে। শুধু জরুরি ত্রাণ নয়, বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘উপজেলা ও জেলা প্রশাসন বন্যার প্রথম দিন থেকেই দুর্গত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে কাজ করছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যও শুরু থেকেই ত্রাণ কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন।’
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিনি ত্রাণ কার্যক্রমের সমন্বয় ও তদারকির জন্য সাতকানিয়ায় এসেছেন।
আরও পড়ুন:
প্রত্যন্ত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী তাদের প্রতি ধন্যবাদ জানান।
এদিন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসূচি দুপুরে ইকবাল কনভেনশন সেন্টার থেকে শুরু হয়। পরে কেওচিয়া উচ্চবিদ্যালয়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সহায়তায় ৩০০ জন, ধর্মপুর বিশ্বর বাড়িতে ৩০০ জন এবং বাজালিয়া মাহালিয়া রাস্তার মাথায় জাগরণী ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ৫০০ জন বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।
এছাড়া উপজেলা পরিষদে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৫০০ কার্টন বিস্কুট এবং ৫০০ প্যাকেট চাল বিতরণ করা হয়। ডেমশা ইউনিয়ন পরিষদে জেলা পরিষদ চট্টগ্রামের সহায়তায় আরও ৩০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।
ত্রাণ বিতরণ ও পরিদর্শন কর্মসূচিতে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন আহমেদ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামান, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসনের সদস্য, জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।




