আজ (সোমবার, ৩ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা এবং কর্মাভাবের সময়ে নিম্নআয়ের মানুষের খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ কর্মসূচি চালু রাখা হয়েছে। দেশের ৪৯৫টি উপজেলার ৫৫ লাখ কার্ডধারী উপকারভোগী এ সুবিধার আওতায় রয়েছেন।
দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অপুষ্টি কমানো, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের পুষ্টির উন্নয়নের লক্ষ্যেও কর্মসূচিটি পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে ২৪৮টি উপজেলায় প্রায় ২৫ লাখ ২৯ হাজার উপকারভোগীর মধ্যে পুষ্টিচাল (ফর্টিফায়েড রাইস) এবং ২৪৭টি উপজেলায় ২৯ লাখ ৭১ হাজার উপকারভোগীর মধ্যে সাধারণ চাল বিতরণ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
এ ছাড়া সারা দেশে ১ হাজার ১০৮টি কেন্দ্র (দোকান ও ট্রাক) থেকে ওএমএস কর্মসূচির আওতায় নিয়মিত চাল ও আটা বিক্রি অব্যাহত রয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে খাদ্যশস্যের মজুত সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন সবচেয়ে বেশি খাদ্য মজুত রয়েছে এবং খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রমও চলমান আছে।
গত ২ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট খাদ্য মজুতের পরিমাণ ছিল ২৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৫ মেট্রিক টন। এর মধ্যে চাল রয়েছে ১৯ লাখ ৬৬ হাজার ১৪৮ মেট্রিক টন, গম ২ লাখ ৮০ হাজার ১০ মেট্রিক টন এবং ধান ১ লাখ ৫২ হাজার ১০৯ মেট্রিক টন (ধানকে চালে রূপান্তর করে হিসাব করা হয়েছে)।
সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপুষ্টি কমানো এবং সামাজিক সুরক্ষামূলক কর্মসূচিগুলো আরও কার্যকর ও সম্প্রসারণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।




