বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ কৃষিক্ষেত্র অনেকদূর এগিয়েছে কিন্তু এখনো যথেষ্ট হয়নি। যে এলাকায় সব মানুষের কৃষির সঙ্গে আর্থিক সম্পর্ক সেই এলাকাই বাংলাদেশের কৃষির নেতৃত্ব দেবে এটাই স্বাভাবিক।’
এই এলাকার লিচুর সংরক্ষণাগার বা হিমাগার করা যায় কি না— এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘হিমাগার করলে যে খরচ বিদ্যুৎ বিল দিতে হবে তাতে লিচুর মূল্য কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।’
মন্ত্রী দেশিও পদ্ধতিতে লিচু সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেয়ার কথা বলেন।
আরও পড়ুন:
মন্ত্রী বলেন, ‘কৃষিমন্ত্রীকে ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ করবো একটি গবেষণা চালানোর জন্য লিচুর যে পচনরোধে কোনো ব্যবস্থা করা যায় কি না।’
এসময় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল, পাবনা সিরাজগঞ্জ সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আরিফা সুলতানা রুমা, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম প্রামাণিকসহ জাতীয় পদক প্রাপ্ত কৃষক কিশানি উপস্থিত ছিলেন।





