এর আগে আজ দুপুর ১টা ৩৪ মিনিটে তোফায়েল আহমেদের মরদেহবাহী একটি হেলিকপ্টার ভোলার হেলিপ্যাডে অবতরণ করে। সেখান থেকে মরদেহ সরাসরি নিয়ে যাওয়া হয় ভোলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে। সেখানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মরহুমের প্রতি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের মানুষের পক্ষ থেকে তার কফিনে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ভোলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এই জানাজায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ হাজারো শোকাহত জনতা অংশ নেন। প্রিয় নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে এসে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের বহু কর্মী-সমর্থককে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়।
মাঠের জানাজা শেষে মরদেহ তার জন্মভিটা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। যাওয়ার পথে বাংলাবাজার এলাকায় তোফায়েল আহমেদেরই প্রতিষ্ঠিত একটি বৃদ্ধাশ্রমে তার মরদেহ ক্ষণিকের জন্য রাখা হয়।
পরবর্তীতে কোড়ালিয়া গ্রামে মরদেহ পৌঁছানোর পর সেখানে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার মা, বাবা ও স্ত্রীর কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।





