আহমেদ আযম খান বলেন, ‘আমরা দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্সে নিয়ে আসার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের প্রশাসনের কাছেও একই বার্তা আমরা দিয়েছি। প্রশাসনকে পরিষ্কার বলে দিয়েছি। আপনারা কাজ করবেন সরকার আপনাদের জন্য সব ব্যবস্থা রেখেছে। আপনাদের সংসার চালানোর জন্য বেতন ও ভাতা আছে। আপনাদের পদবি অনুযায়ী গাড়ি আছে। আপনাদের সব সুবিধা সরকার করে দিয়েছে। পর্যায়ক্রমে করে দেবে। অতএব অন্য দিকে আপনারা নজর দেবেন না। এই বিষয়টি এই বার্তাটা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রশাসনের সব পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ চিন্তা করে জরিপ আসলেই আমার জমি, বাড়ি টাকার বিনিময়ে অন্য কারও নামে লিখে নিয়ে যাই জরিপে। এরকম একটা অবস্থা অতীতে ছিল। এই অবস্থা থেকে জনগণ যাতে রেহাই পান। জনগণ যাতে স্বস্তিতে থাকেন যে জরিপ হোক আর যাই হোক আমার জায়গা আমার থাকবে। এই স্বস্তির জন্যেই বর্তমান সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। আজকে প্রধানমন্ত্রী এই ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন করেছেন।’
আরও পড়ুন:
মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের নির্বাচিত সরকার তারেক রহমানের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশের সব পর্যায়ে নাগরিকের সেবা সুনিশ্চিত করার জন্য নাগরিকরা যাতে কোনোভাবে কষ্টের মধ্যে না থাকে। কোনোভাবে যেন কোন দপ্তরে গিয়ে কোন সরকারি অফিস, আদালত বা কোথাও গিয়ে হয়রানির শিকার না হয়। সেই বিষয়টিকে নিশ্চিত করার জন্য তারেক রহমানের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নেয়ামত উল্ল্যা, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আবুল কাশেম মিয়া, বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীর, সাবেক সভাপতি এনামুল করিম অটল, সাধারণ সম্পাদক নুরনবী আবু হায়াত খান নবু, বাসাইল পৌর বিএনপির সভাপতি আক্তারুজ্জামান তুহিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ পিন্টু উপস্থিত ছিলেন।৭





