তিনি বলেন, ‘মনে রাখতে হবে এটা আমাদের দেশের সম্পদ, সকলের সম্পদ এই কাপ্তাই লেক। এটাতে ময়লা আবর্জনা ফেলা হলে একসময় কিন্তু দুষিত হতে হতে এটা ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়বে। সে জায়গায় যাতে না যেতে হয় সকলকেই সচেতন থাকতে হবে। আমাদের পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেবো। আমরা চেষ্টা করবো সঠিক সময়ে কাপ্তাই হ্রদের নাব্যতা ঠিক রাখার ক্ষেত্রে খনন কাজ যাতে হয়।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই বাংলাদেশের মানুষকে বলা হয় মাছে ভাতে বাঙালি। কাজেই এই মাছ আমরা আমাদের চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন করতে সক্ষম হই। তারচেয়ে যাতে সারপ্লাস থাকে সেটি যাতে আমরা বিদেশেও রপ্তানি করতে পারি। এবং রপ্তানি আয় যাতে বৃদ্ধি করতে পারি। এই লক্ষ্যেই কিন্তু আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
এসময় তিনি কাপ্তাই লেকে কার্প জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত ও মাছ শিকার বন্ধকালীন লেক নির্ভরশীল ২৭ হাজার নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
আরও পড়ুন:
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনসীএর মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মো. মোবারক হোসেন, নৌ-পুলিশের চট্টগ্রাম অঞ্চলের পুলিশ সুপার বিএম নুরুজ্জামান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন, মৎস্য ব্যবসায়ী ও জেলে সমিতির নেতারা। অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, মৎস্য ব্যবসায়ী ও জেলেরা উপস্থিত ছিলেন।
সাধারণত প্রজনন মৌসুমে ১ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকারে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে থাকে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। তবে এবার পানিস্বল্পতার কারণে ২৪ এপ্রিল দিবাগত মধ্যরাত থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। এতে লেক নির্ভরশীল ২৭ হাজার নিবন্ধিত জেলেকে মাসিক ২০ কেজি হারে বিশেষ ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়ে থাকে।
গেল অর্থবছরের ৯ মাসে প্রায় দশ হাজার মেট্রিক টন মাছের শুল্কায়ন থেকে রেকর্ড পরিমাণ সরকারি রাজস্ব আয় হয়েছে ২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এবার লেকে ৬০ টন কার্পজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হবে।





