প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াবের বৈঠক; সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় দৃঢ় অবস্থানের আশ্বাস

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াবের বৈঠক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াবের বৈঠক | ছবি: পিআইডি
0

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) নেতারা। আজ (মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

দুপুর ২টা ২০ মিনিটে শুরু হওয়া বৈঠক শেষ হয় বিকেল সাড়ে ৩টায়। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী নোয়াব সদস্যদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন এবং গ্রুপ ছবি তোলেন। বিএনপি সরকার গঠনের পর নোয়াবের সঙ্গে এটি ছিল প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তার সরকার স্বাধীন গণমাধ্যমে বিশ্বাস করে। নিয়মিত পত্রিকা পড়েন ও টেলিভিশন দেখেন বলেও জানান তিনি। গণমাধ্যমে দেশের যে চিত্র উঠে আসে, সে বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয় বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি নোয়াব সদস্যদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর এ ধরনের মতবিনিময় সভা আয়োজনের আশ্বাস দেন।

আরও পড়ুন:

বৈঠকের শুরুতে নোয়াব সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিন প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। তিনি সংবাদপত্র শিল্পের বর্তমান সংকট তুলে ধরে সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।

নোয়াব সদস্যরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। তারা ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের সময়ে সংবাদপত্র শিল্পকে শিল্পখাত হিসেবে ঘোষণার বিষয়টি স্মরণ করেন এবং বর্তমানে এটি রুগ্ন শিল্পে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন:

এসময় বিগত সরকারের আমলের বিপুল সরকারি বিজ্ঞাপন বিল বকেয়া রয়েছে উল্লেখ করে তা পরিশোধে সহযোগিতা চান নোয়াব নেতারা। পাশাপাশি তিন মাস পরপর সরকার ও সংবাদপত্র মালিকদের মধ্যে নিয়মিত বৈঠকের প্রস্তাবও দেন তারা।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের জামিনের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন নোয়াব সদস্যরা।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের মালিক ও সম্পাদকরা।

এসএস