ই-হেলথ কার্ডের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ (Key Features of e-Health Card)
বিবরণ (Description) তথ্য ও সুবিধা (Details & Benefits) উদ্যোগের ধরন সরকারের ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মসূচি প্রাথমিক জেলাসমূহ খুলনা, নোয়াখালী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও নরসিংদী প্রযুক্তিগত সংযোগ ডিজিটাল পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম প্রধান লক্ষ্য প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও সঠিক চিকিৎসা
আরও পড়ুন:
শুরুতে সুবিধা পাবেন যে ৫ জেলার মানুষ (Initial Beneficiaries)
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রকল্পের একটি প্রস্তাব বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ৫টি নির্দিষ্ট জেলার জনসাধারণের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু করা হবে। জেলাগুলো হলো:
- খুলনা (Khulna)
- নোয়াখালী (Noakhali)
- বগুড়া (Bogura)
- সিরাজগঞ্জ (Sirajganj)
- নরসিংদী (Narsingdi)
ইলেকট্রনিক রোগী ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা (Electronic Patient Management)
এই ই-হেলথ কার্ডটি আধুনিক ‘ইলেকট্রনিক রোগী ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা’ (Electronic Patient Management System)-এর সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত থাকবে। এর ফলে একজন রোগীর পূর্বের রোগব্যাধি, টেস্ট রিপোর্ট এবং প্রেসক্রিপশনের তথ্য ডিজিটাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকবে। এর মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে চিকিৎসকরা সহজেই রোগীর চিকিৎসার ইতিহাস (Medical History) যাচাই করে দ্রুত ও সঠিক চিকিৎসা প্রদান করতে পারবেন।
নির্বাচনি ইশতেহার ও সাধারণ মানুষের উন্নয়ন (Election Manifesto & Public Welfare)
বিএনপি সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের (Election Manifesto) প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, কৃষক, শ্রমিক এবং দিনমজুরসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে এই পলিসি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমাদের দলের কমিটমেন্ট হলো দেশের মানুষের জন্য কাজ করা। শিল্পোদ্যোক্তাদের পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আমরা বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়েছি এবং তা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করে দিয়েছি।"
আরও পড়ুন:





