কেউ জানাচ্ছেন ফজরের নামাজের পর তেল নিতে হাজির, আবার কেউ বলছেন সকাল থেকে রাত হয়ে গেলেও তেল পাচ্ছেন না তারা। জ্বালানির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা। ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, তর্ক-বিতর্ক আর বিশৃঙ্খলা- গেল কিছুদিন ধরেই এমন দৃশ্য পরিণত হয়েছে নিত্যদিনের চিত্রে।
তবে পাম্প মালিকরা বলছেন, গেল কয়েকদিন ধরে সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তবুও সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় গ্রাহকরা প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহ করায় দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে বলেও দাবি তাদের।
পাম্প মালিকরা জানান, তারা এখন তেল পাচ্ছেন। তবে পাম্পের সামনে দীর্ঘ লাইন সবাইকে তেল দিতে পারছেন না।
আরও পড়ুন:
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে জ্বালানির দাম না বাড়ানোর আশ্বাস দিলেও শেষ পর্যন্ত ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। ৭০ টাকা ১০ পয়সা থেকে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা বাড়িয়ে লিটারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা। গতকাল (রোববার, ১২ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।
ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ার খবরে ভবিষ্যতে অকটেন ও ডিজেলের দামও বাড়তে পারে- এমন আশঙ্কায় চালকরা। বিশেষ করে ডিজেলচালিত পণ্যবাহী ট্রাক ও লরিগুলোতে জ্বালানি পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
ট্রাক ও লরিচালকদের একজন বলেন, ‘আমরা এসেছি ৩টার দিকে। এখনো লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। কখন তেল পাবো জানি না।’
গ্রাহকরা জানান, এখানে তেল সংকট নাকি সিন্ডিকেটের প্রভাব এ নিয়ে সন্দিহান তারা।
চালকদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে ব্যাহত হতে পারে পণ্য পরিবহন, যার প্রভাব পড়বে সামগ্রিক অর্থনীতিতে। তাই ভোগান্তি কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি তাদের।





