তিনি বলেন, ‘বিরোধীদলের যৌক্তিক বাধা সত্ত্বেও আজকে যেসব গণবিরোধী বিল পাশ হয়েছে, আমরা তার দায় নিতে চাই না। আমরা তাই ওয়াকআউট করছি।’
এরপর বিরোধীদলের সংসদ সদস্যরা একে একে সংসদ অধিবেশন থেকে বের হয়ে যান।
তার এ বক্তব্যের আগেই জেলা পরিষদ (সংশোধিত) এবং পৌরসভা (সংশোধিত) বিল কণ্ঠভোটে পাশ হয়। এছাড়া আজ সংসদে ১২টি বিল পাশ হয়। এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলো অবিকল রেখে ৯টি বিল পাশ করা হয়। এছাড়া অধ্যাদেশ রহিত করে আরও দু’টি বিল পাশ হয়।
আরও পড়ুন:
পাশাপাশি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ রহিত করে ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পুনঃপ্রচলনের লক্ষ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬ পাশ করা হয়েছে।
এ নিয়ে এক অধিবেশনে তিনবার ওয়াকআউট করলো জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধীদলগুলো। এর আগে গত ১২ মার্চ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেয়ার সময় ওয়াক আউট করে সংসদ কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান বিরোধীদল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্যরা।
এর পর গত ১ এপ্রিল জুলাই সনদ আদেশ ও বিরোধীদলের নেতাকে ‘মিসকোড’ করাকে কেন্দ্র করে সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধীদল।





