আজ (মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মীর শাহে আলম বলেন, ‘আজকে বিএনপি এমন একটি সংগঠন যারা তিনটি আন্দোলনকে ধারণ করে এবং তিনটি আন্দোলনের ট্রফি যাদের ঘরে—১৯৭১, ১৯৯০ এবং জুলাই-আগস্ট; তিনটি আন্দোলনই আমাদের ঘরে। এরকম ট্রফি অন্য কোনো রাজনৈতিক দল বাংলাদেশের ইতিহাসে দেখাতে পারবে না, মাননীয় স্পিকার।’
‘আজকে যদি আওয়ামী লীগের কথা বলি—আওয়ামী লীগ ৭১ বলতে পারবে, ৯০ বলতে পারবে, জুলাই-আগস্টের ট্রফি কিন্তু তাদের ঘরে নাই। আজকে বিরোধীদলের বন্ধুরা জুলাই-আগস্ট বলতে পারবে, ৭১ এবং ৯০-এর ট্রফি কিন্তু তাদের ঘরে নাই। একমাত্র দল বিএনপি যাদের ঘরে ১৯৭১, ১৯৯০, জুলাই-আগস্ট—তিনটি ট্রফি আমাদের ঘরে রয়েছে।’—যোগ করেন তিনি।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘বিরোধীদল হইচই করে বলতে পারেন মাননীয় স্পিকার, ৯০-এ তাদের কথা বলতে পারে কিন্তু ৮৬ সালের নির্বাচনে ঢাকঢোল পিটিয়ে তারাই আওয়ামী লীগের সঙ্গে গিয়েছিল, আমরা যাইনি মাননীয় স্পিকার।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকে এনসিপির এক নেতা বাইরে বক্তৃতায় বলেছেন—জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে ছাত্র-জনতা খেলেছে আর ট্রফি বিএনপি নিয়ে বসে আছে। আমি বলতে চাই, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ছাত্র-জনতার সাথে আমরা সবাই ছিলাম। ট্রফি আমরা কারো কাছে নিতে যাইনি।’
ক্যাপ্টেন কে?—প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ডক্টর ইউনূস চেনে, এ কারণেই উনি লন্ডনে গিয়ে আমাদের ক্যাপ্টেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে আসছেন, মাননীয় স্পিকার।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এতেই প্রমাণিত হয় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের নেতৃত্বের মূল ভূমিকা কোন দলের ছিল, কোন নেতার ছিল। আমরা সবাই আন্দোলন করেছি, এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু ক্যাপ্টেন একজনই থাকে, যে ক্যাপ্টেনের কাছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান লন্ডনে গিয়ে আলোচনা করে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে আসছে বলেই এদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে এবং সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিরোধীদল এবং আমরা আজকে একটি ঐতিহাসিক সংসদে এসে উপস্থিত হতে পেরেছি মাননীয় স্পিকার।’





