চিঠিতে বলা হয়েছে, কমিশনের দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বিভিন্ন কার্যক্রম—ভোটার তালিকা হালনাগাদ, আইন-বিধি সংস্কার, নীতিমালা প্রণয়ন, অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ, স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন, নির্বাচনি রোডম্যাপ প্রস্তুত, গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন, দেশে ও প্রবাসে পোস্টাল ভোটিং কার্যক্রম, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন এবং সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে বই আকারে ডকুমেন্টেশন তৈরির জন্য লে-আউট প্রস্তুতে ১৮ জন কর্মকর্তাকে নিয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
চিঠিতে বলা হয়, এ কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২ শাখার যুগ্ম সচিব এবং সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সিনিয়র সহকারী সচিব (প্রকাশনা ও ডকুমেন্টেশন)।
কমিটির কার্যপরিধি নির্ধারণ করে এতে বলা হয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কমিশনের বিভিন্ন কার্যক্রম—ভোটার তালিকা হালনাগাদ, আইন-বিধি সংস্কার, নীতিমালা প্রণয়ন, অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ, স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন, নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রস্তুত, গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন, দেশে ও প্রবাসে পোস্টাল ভোটিং কার্যক্রম, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন, সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণসহ অন্যান্য বিষয়—এসব ক্ষেত্রে কী কী ঝুঁকি ছিল, সেগুলো কীভাবে মোকাবিলা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে কীভাবে আরও উৎকর্ষ সাধন করা যায়, সে বিষয়ে সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন তৈরির জন্য লে-আউট প্রস্তুত করবে কমিটি।





