প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত তারা জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রশাসকরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিধি অনুযায়ী ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা প্রাপ্য হবেন।
এ দফায় ঢাকা, নীলফামারী, লালমনিরহাট, পাবনা, নড়াইল, বরগুনা, জামালপুর, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, ফরিদপুর, হবিগঞ্জ, চাঁদপুর ও ফেনী জেলায় প্রশাসক বসানো হল। তাদের সবাই বিএনপির জেলা পর্যায়ের নেতা।
আরও পড়ুন:
নতুন প্রশাসকরা হলেন; ঢাকায় ইয়াছিন ফেরদৌস মোরাদ, নীফামারীতে মিজানুর রহমান চৌধুরী, লালমনিরহাটে একেএম মমিনুল হক, পাবনায় মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম, নড়াইলে মো. মোস্তাফিজুর রহমান আলেক, বরগুনায় নজরুল ইসলাম মোল্লা, জামালপুরে সিরাজুল হক প্রশাসকের দায়িত্ব পেয়েছেন।
আর গাজীপুরে ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী, মানিকগঞ্জে জামিলুর রশিদ খান, নরসিংদীতে তোফাজ্জল হোসেন, ফরিদপুরে আফজাল হোসেন খান পলাশ, হবিগঞ্জে আহম্মেদ আলী, চাঁদপুরে একেএম সলিম উল্যা সেলিম ও ফেনীতে এম এ খালেককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
এর আগে গত ১৫ মার্চ ৪২টি জেলা পরিষদে প্রশাসক বসানো হয়েছিল। দুই দফায় সব মিলিয়ে ৫৬ জনকে প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হল।
গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১৯ অগাস্ট তিন পার্বত্য জেলা বাদে সব জেলা পরিষদে প্রশাসক বসানো হয়েছিল।





