বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঈদের আগে এই ছুটির সময়টাতে যা যা ইস্যু আসতে পারে, সেগুলো নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করলেন। কিছু মন্ত্রণালয় থেকে কিছু ইস্যু উত্থাপিত হয়েছিল। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ২৪-২৫-এর বাজেট-সম্পর্কিত; আগামীতে আমাদের জ্বালানি পণ্য নিয়ে এবং আরও কিছু সামাজিক বিষয়, যেগুলো সমাজের ভেতরে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি করছে—সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে, যেটা ক্যাবিনেট সেক্রেটারি আপনাদের জানিয়ে দেবেন। কিন্তু পুরো আলোচনায় প্রত্যেকটি ইস্যুই ছিল ঈদকে কেন্দ্র করে। আর ঈদ-সম্পর্কিত জনভোগান্তি কমানোর জন্য কী করা যেতে পারে, সেগুলো নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অনেক দুশ্চিন্তা আছে। তিনি চেষ্টা করছেন জনভোগান্তি সবভাবে যেন কমানো যায়। সেগুলো-সম্পর্কিত কিছু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিয়ে ঈদের আগের শেষ ক্যাবিনেট মিটিং শেষ হলো।’
আরও পড়ুন:
উদ্বেগগুলো নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কী বলেছেন, প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সামাজিক কিছু বিষয়—সেটা ক্যাবিনেট সেক্রেটারি আপনাদের ক্লিয়ার করবেন। এই যে সমাজে কিছু অরাজকতা হচ্ছে, সেগুলো কীভাবে আমরা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারি, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
আরও পড়ুন:
জ্বালানি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যেহেতু কোনো ধরনের রেশনিং এখন আর করছি না, তাই কোনো ঝামেলা হওয়া উচিত না। সুতরাং কোনো ঝামেলা যদি থাকে, সেটা কীভাবে নিরসন করা যেতে পারে—সেটা নিয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সবার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।’





