পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পল কাপুরের সঙ্গে আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্যের সংকট গুরুত্ব পেয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমি তার কাছে উল্লেখ করেছি, আমাদের দুজন বাংলাদেশি মারা গেছেন, সাতজন আহত হয়েছেন। এই যুদ্ধ দীর্ঘতর বা বিস্তৃত হলে এ শঙ্কা আরও বাড়তে পারে। একইসঙ্গে আমাদের মতো দেশের পক্ষে এই যুদ্ধের অর্থনৈতিক যে প্রতিক্রিয়া হবে, সেটা বহন করা দুঃসাধ্য।’
ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমরা তাকে বলেছি, যত দ্রুত সম্ভব আলোচনার মাধ্যমে এবং কূটনৈতিক একটা সুযোগ দিয়ে এই সংঘাত, এই সমস্যা যেন সমাধান করার জন্য তারা যেন চেষ্টা করেন।’
আরও পড়ুন:
যুদ্ধ কবে বন্ধ হবে সে বিষয়ে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু বলেছেন কি না— ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক এ প্রশ্ন করেন।
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যুদ্ধ কবে বন্ধ হবে সেটা তো সম্পূর্ণ তাদের হাতেও নেই। এটা তো কেউ বলতে পারবে না।’
পাল্টা উত্তরে ওই সাংবাদিক যখন মন্তব্য করেন যে ‘তারা শুরু করেছেন’, তখন খলিলুর রহমান বলেন, ‘না, না– এটা কোনো প্রশ্ন হতে পারে না।’
আরও পড়ুন:
পল কাপুরের সঙ্গে আলোচনার অন্যান্য বিষয় নিয়ে খলিলুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রথম এই নীতিতে আমরা চলবো। আমাদের স্বার্থ সম্পূর্ণভাবে বজায় রেখে অন্যান্য সব দেশের সঙ্গে আমাদের পররাষ্ট্র কর্মকাণ্ড নির্বাহ করবো, এটা আমরা তাকে বলেছি। কাপুর আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী দিনগুলোতে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় ও বিস্তৃত হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বৈধ কাগজপত্রবিহীন বাংলাদেশি যারা আমেরিকায় আছেন তাদের ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে কথা বলেছি। প্রক্রিয়াটা যাতে সহজ হয় এবং সম্মানের সঙ্গে তারা যেন আসতে পারেন সেটা নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।’
আরও পড়ুন:
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গা বিষয়ে আমার সঙ্গে কথা হয়েছে। ওনারা আমাদের সঙ্গে একমত, এ বিষয়ে এখন সমাধানের দিকে আগাতে হবে এবং আমি আনন্দিত তারা এ বিষয়ে আমাদেরকে সব ধরনের সহযোগিতা দেবেন।’





