প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রেভল্যুশনারি গার্ডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা মধ্যম সারির এক আলেম মুজতবা খামেনি কঠোরপন্থী হিসেবে পরিচিত এবং ইরানের ধর্মীয় নেতৃত্বে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের একজন। বহু বছর ধরেই তাকে বাবার উত্তরসূরি হিসেবে সম্ভাব্য শীর্ষ প্রার্থী মনে করা হচ্ছিল। একটি সূত্র রয়টার্সকে বলেছে, তিনি (মুজতবা) জীবিত, সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার সময় তিনি তেহরানে ছিলেন না।
আরও পড়ুন:
শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর পর খামেনি নিহত হন। এ হামলায় আরও বেশ কয়েকজন সামরিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রোববার ভোরে খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। এক জ্যেষ্ঠ ইসরাইলি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, ইরানি নেতার মরদেহ পাওয়া গেছে।




