ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘একদল স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি মালিক-শ্রমিক সম্পর্কের অবনতি ঘটিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে শ্রমিকদের সচেতন ও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে সংঘাত নয়, পারস্পরিক সহযোগিতাই হওয়া উচিত। মালিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেন, আর শ্রমিক তার শ্রম ও দক্ষতায় প্রতিষ্ঠানকে সচল রাখেন। এই সম্পর্ক ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হলে একটি মানবিক সমাজ গড়ে উঠবে।’
তিনি বলেন, ‘যারা আল্লাহ তা-আলাকে ভয় করেন, তাদের কাছে আল্লাহর সব সৃষ্টিই নিরাপদ।’
আরও পড়ুন:
দরদি সমাজ গঠনের লক্ষ্যে মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
পবিত্র রমজান প্রসঙ্গে আমিরে জামায়াত বলেন, ‘রমজান ধ্বংস বা বিভেদের বার্তা নয়; এটি সংযম, আত্মশুদ্ধি ও রহমতের মাস। এই রমজান যেন সবার জীবনে রহমত, শান্তি ও ঐক্য বয়ে আনে।’
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নেতারা ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি আ. ন. ম. শামসুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠান হয়।





