আজ (সোমবার, ২ মার্চ) সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করার পরে আমাদের নির্বাচনের ইশতেহারে যে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, সেগুলো আমরা একে একে বাস্তবায়ন করার পদক্ষেপ নিয়েছি। আমাদের ইশতেহারে ঘোষণা করা হয়েছিলো প্রতি মসজিদে আমরা ইমাম সাহেব, মুয়াজ্জিন সাহেব, খতিব ও খাদেম সাহেবদের সম্মানি ভাতা দেব। একইভাবে মন্দির, প্যাগোডায় যে সব ধর্মীয় ব্যক্তিরা আছেন তাদেরও আমরা সম্মানি ভাতা দেব।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘সে হিসেবে আজ সিদ্ধান্ত হয়েছে আমরা একটি পাইলট স্কিম করবো। সেখানে আগামী জুন পর্যন্ত ঈদের আগেই প্রতিটি ইউনিয়নে এবং একটি করে মসজিদে খতিব সাহেবকে তিন হাজার টাকা, ইমাম সাহেবকে পাঁচ হাজার টাকা, খাদেমকে ২ হাজার টাকা করে প্রতিমাসে সম্মানি ভাতা দেয়া হবে। ঈদের সময় প্রতিজনকে ১ হাজার করে প্রতি মসজিদে তিন হাজার ঈদ বোনাস পে করবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘পাইলট স্কিমে ৪ হাজার ৯০০টি মসজিদ হবে ইউনিয়ন ও পৌরসভা মিলিয়ে। আমাদের ৯৯০টি মন্দির, ৭২টি বৌদ্ধ বিহার, ১৯৮টি গির্জায় ঈদ বোনাস পে করা হবে। এটি পাইলট প্রকল্প। যখন এটি সারা বাংলাদেশে গ্রহণ করা হবে তখন ৪ লাখের ওপরে চলে যাবে। আমরা চার বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এ টাকা পরিশোধ করবো। জুনে পরে সারা দেশের সারে তিন লাখ মসজিদ এবং ৪৪ হাজারের মতো মন্দির, প্যাগোডা ও গির্জা আছে; আগামী চার বছরের মধ্যে সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানই এর আওতায় আসবে।’





