ডা. জাহিদ বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ হবে আগামী ৫ তারিখের মধ্যে। ৮ তারিখের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত সব কাজ সম্পন্ন হবে। আগামী ১০ই মার্চ প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে কার্ড প্রদান কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে কাভার করা হবে শতভাগ।’
তিনি বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড হবে নির্ভুল তথ্যর ভাণ্ডার। এসব তথ্য রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার কাজে আসবে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরাসরি গ্রাহকের কাছে টাকা পৌঁছাবে। এরমধ্যে কোনো মধ্যভোগী সংস্থা থাকবে না।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘হত-দরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নবিত্তরাই এ কার্ডের সুবিধা পাবেন। সমাজের সচ্ছলরা এ কার্ড পেলেও তারা আর্থিক সহায়তা পাবেন না, বরং তাদের অর্থ সমাজের চাহিদাসম্পন্ন মানুষের কল্যাণেই ব্যবহার হবে। ফলে তাদেরও সমাজে অবদান রাখার সুযোগ হবে, রাষ্ট্র তাদের স্বীকৃতি দেবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দলীয় কোনো লোক এ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে না। কেউ বিভ্রান্তি ছড়ালে বা কার্ড করিয়ে দেয়ার নামে অর্থের লেনদেনের চেষ্টা করলে, তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সমর্পণ করতে হবে।’





