চব্বিশের অভ্যুত্থান বাংলাদেশে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা এবং সংস্কারের সুযোগ তৈরি করলে, জুলাই সনদের দাবি তোলেন জুলাই আন্দোলনের প্রথম সারির নেতারা। গেল বছরের সালের ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয় এ সনদ।
এসময় প্রধান উপদেষ্টা, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ ২৪টি রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করে। তবে বাস্তবায়নের আইনি ভিত্তি ‘স্পষ্ট’ না হওয়ার যুক্তিতে বর্জন করে এনসিপি।
আরও পড়ুন:
গেল সংসদ নির্বাচনে সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হওয়ার পর অবশেষে স্বাক্ষর করলো দলটি। আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে সোমবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আসে দলটির একটি প্রতিনিধিদল।
স্বাক্ষর শেষে দলের আহ্বায়ক জানান, গণভোটের আইনি ভিত্তি পেয়েই স্বাক্ষর করেছে এনসিপি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই সনদ আদেশের ভিত্তিতে গণভোটে জনগণের রায় হ্যাঁ এর পক্ষে এসেছে। আগামীকাল থেকে হ্যাঁ-এর রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য এনসিপি সংসদে যাচ্ছে। নোট অব ডিসেন্ট ব্যতিরেকে আমরা স্বাক্ষর করেছি।’
আরও পড়ুন:
আগামীকাল (মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি) সংস্কার কমিশনের শপথের মাধ্যমে গণরায়ের বাস্তবায়নেই মূল চ্যালেঞ্জ বললেন নাহিদ ইসলাম।
এছাড়া নোট অব ডিসেন্টের শর্তেই স্বাক্ষর করেছে বলে জানান দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
তিনি বলেন, ‘গণভোটে হ্যাঁ জয়যুক্ত হওয়াতে আমরা সাক্ষর করেছি। শর্ত সাপেক্ষে, নোট অব ডিসেন্টের শর্ত রেখেই সাক্ষর করেছি। দাবি রেখেছি যে, ব্যত্যয় ব্যতিরেকে সংবিধান সংস্কার পরিষদ শপথ গ্রহণ করবেন, এরপর সংসদরা শপথ গ্রহণ করবেন।’
জুলাই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে এই সনদের বিকল্প নেই বলেও জানান এনসিপি নেতারা।





