তবে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন কোনটা হবে, সেটা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি বলে জানিয়েছেন আদিলুর রহমান।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য ৩৭টি বাসার কয়েকটিতে এখনো উপদেষ্টারা অবস্থান করছেন। তারা সরে গেলে নতুনদের জন্য আবার প্রস্তুত করা হবে।
এদিকে নির্বাচনের আগে থেকেই নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীর জন্য বাসভবনের অনুসন্ধান শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকার। সম্ভাব্য কয়েকটি স্থানও নির্ধারণ করা হয়।
যার মধ্যে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাসহ শেরেবাংলা নগরের সংসদ ভবন এলাকার স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এলাকার একটি স্থান প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছিলো।
আরও পড়ুন:
কিন্তু শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় ধারণা করা হয়েছিলো রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকেই নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন করা হতে পারে।
তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী যেখানে পছন্দ করবেন সেখানে তার বাসভবনের ব্যবস্থা করা হবে বলে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জানিয়েছেন।
আগামীকাল (মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান হতে পারে। তাদের জন্য মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক গাড়ি প্রস্তুত রাখার জন্য সরকারি যানবাহন অধিদফতরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানা যায়।





