চায়ের আড্ডায় জাইমা রহমান বিভিন্ন টেবিল ঘুরে-ঘুরে তরুণদের ভাবনা, সমস্যা ও স্বপ্ন বিষয়ে জানাতে চান। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণদের কাছ থেকে রাজনৈতিক সচেতনতা, ভোটাধিকার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নিয়ে তাদের ভাবনা শোনেন তিনি।
তরুণরা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নানা সংকট, রাজধানীর বায়ুদূষণ, যানজট, চাকরি সমস্যাসহ নানা বিষয়ের সমস্যা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরে কথা বলেন। পাশাপাশি জাইমা রহমানও নিজের মত প্রকাশ করেন।
জাইমা রহমান অনলাইন দুনিয়ার সাইবার বুলিং নিয়েও নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়ে বলেন, ‘সাইবার বুলিং প্রতিরোধে শুধু আইন থাকলে হবে না, কার্যকর প্রয়োগ থাকতে হবে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর কার্যালয় বাংলাদেশে স্থাপন করলেও এই সমস্যার অনেকটা সমাধান সম্ভব।’
আরও পড়ুন:
এসময় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়েও কথা বলেন জাইমা। তার মতে, প্রাথমিক পর্যায় থেকেই ব্যবস্থা নিলে শহর এবং গ্রামে শিক্ষার বৈষম্য দূর করা সম্ভব। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে মূল কারিকুলামের বাইরে ব্যবহারিক কার্যক্রম বা সহশিক্ষা ব্যবস্থা থাকা উচিত।
দেশের জন্য তরুণদের কাজ করার আগ্রহকে ইতিবাচকভাবে দেখার কথা জানিয়ে জাইমা রহমান বলেন, ‘সব মানুষ যেন দেশ গড়ার কাজে অংশ নিতে পারে সেরকম প্লাটফর্ম তৈরি করে দেয়া প্রয়োজন।’
জাইমা রহমান আগামীতে আবারও একইরকম আড্ডায় বসার প্রতিশ্রুতি দেন আমন্ত্রিত অতিথিদের।





