নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা রিটার্নিং অফিসারের কাছে আবশ্যিকভাবে যোগদান বা রিপোর্ট করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিয়োগপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটদের মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর ৫ ধারা অনুযায়ী ভোট গ্রহণের ২ দিন পর পর্যন্ত নির্ধারিত এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মোছা. মোস্তারী কাদেরীকে কিশোরগঞ্জ, মো. সেলিম রেজাকে ঝিনাইদহ, মো. নোমান হোসেনকে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা, এস. এম. শাহীনকে যশোর, বেগম তাছলিমা আক্তার, কোহিনুর জাহান, সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি, মাহেরা নাজনীন, আরিফুল ইসলাম, এস, এম, মুস্তাফিজুর রহমান ও সাদিয়া আফরিনকে খুলনা, এইচ. এম. সালাউদ্দীন মনজুকে চুয়াডাঙ্গা, মোহাম্মদ নূর-এ-আলমকে পাবনা, মোহাম্মদ হুমায়ন রশিদকে নোয়াখালী, মো. আসাদুজ্জামানকে সাতক্ষীরা, অরুণ কৃষ্ণ পালকে হবিগঞ্জ, রেহেনুমা তারান্নুমকে দিনাজপুর, মো. আবু রিয়াদকে বাগেরহাট, মো. নিজাম উদ্দিনকে শরীয়তপুর, মেরিনা দেবনাথকে সুনামগঞ্জে নির্বাচনকালীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, ক্ষমতাপ্রাপ্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোবাইল কোর্ট পরিচালনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত রাখবেন।
ক্ষমতাপ্রাপ্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোবাইল কোর্ট পরিচালনার তথ্য নির্ধারিত ছকে প্রতিদিন সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং রিটার্নিং অফিসার বরাবর প্রেরণ করবেন।—বাসস





