আলী রিয়াজ বলেন, ‘রাষ্ট্র কীভাবে পরিচালিত হবে, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কীভাবে স্বাধীনভাবে কাজ করবে এসব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জনগণের ম্যান্ডেটের মাধ্যমেই নিতে হবে। এ কারণেই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে এবং নাগরিক হিসেবে সবার দায়িত্ব গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট দেয়া।’
তিনি বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কিছু ভিন্নমত থাকলেও গণভোট অনুষ্ঠানের ব্যাপারে কোনো রাজনৈতিক দলের মধ্যেই দ্বিমত নেই। গণভোট নিয়ে সব রাজনৈতিক দল একমত। কারণ এটি জনগণের প্রত্যক্ষ মতামত গ্রহণের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ।’
আরও পড়ুন:
অতীতের নির্বাচনগুলোর অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, ‘মানুষ এখন ভোট দিতে চায়, কিন্তু সেই পরিবেশ বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সেই গণতান্ত্রিক পরিবেশকে পূর্ণভাবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতেই জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যদি রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক কাঠামো নিয়ে তাদের মতামত দেয়, তাহলে ভবিষ্যৎ সরকার ও প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী পরিচালিত হতে বাধ্য হবে।’





