নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচি (Election Schedule 2026)
- আপিলের শেষ সময়: আগামীকাল (শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
- আপিল শুনানি: ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত (৯ দিনব্যাপী শুনানি)।
- প্রার্থিতা প্রত্যাহার: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬।
- প্রতীক বরাদ্দ ও প্রচারণা: ২০ জানুয়ারি প্রতীক দেওয়ার পর থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচারণা (Election Campaign) শুরু করতে পারবেন।
- ভোটগ্রহণের তারিখ: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের আশ্বাস (Justice in Candidate Scrutiny)
রিটার্নিং কর্মকর্তাদের (Returning Officers) কাছে যারা প্রার্থী হিসেবে অবৈধ হয়েছেন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ইনসাফে বিশ্বাসী। সবাই এখানে ন্যায় বিচার পাবেন।’
আপিল আবেদনের বর্তমান অবস্থা (Appeal Process and Statistics)
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পক্ষে বিপক্ষে দেয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আজ চতুর্থ দিনের মতো আপিল আবেদন (Nomination Appeal) চলছে। সকাল থেকেই আসতে শুরু করে যাচাই-বাছাইয়ে বাদ পরা সম্ভাব্য প্রার্থীরা। যাচাই বাছাইয়ে বাদ পরা সম্ভাব্য প্রার্থীরা যেমন আপিল করতে পারবেন, তেমনি আপিল করতে পারবেন কোনো বৈধ প্রার্থীর পক্ষেও। আপিলের গত ৩ দিনে আবেদন পড়েছে এখন পর্যন্ত ৩০৯টি।
আরও পড়ুন:
আগামীকাল (শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি) পর্যন্ত আপিল করতে পারবেন ক্ষুব্ধ যেকোনো ব্যক্তি। এরপর এসব আপিলের পক্ষে-বিপক্ষে শুনানি করবে নির্বাচন কমিশন।
শুনানির জন্য রাখা হয়েছে ৯ দিন সময়। এরপরই ১৯ জানুয়ারি কোনো প্রার্থী চাইলে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবেন। ২০ জানুয়ারি প্রতীক দেয়ার পর প্রচারণা চালাতে পারবেন প্রার্থীরা।
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।
উল্লেখ্য, দেশের ৩০০টি নির্বাচনি আসনে মোট ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৭২৩টি বাতিল এবং ১ হাজার ৮৪২টি বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।





