নিষেধাজ্ঞার কারণে রাজধানীর পুলিশ প্লাজার সামনে গুলশানমুখী সড়কে ঢুকতে বাধা দেয়ায় এভাবেই কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তার সাথে তর্কে জড়ান এই তরুণী। দীর্ঘক্ষণ বাকবিতণ্ডা চললেও গুলশানমুখী সড়কে গাড়ি ঢুকতে দেয়নি পুলিশ। শুধু এটি নয়, বুধবার রাতে এই সড়ক দিয়ে বিশেষ বাহন ছাড়া কোন ধরনের যানবাহনই প্রবেশ করতে দেয়নি পুলিশ।
মূলত থার্টি ফার্স্ট নাইট ঘিরে নিরাপত্তার কারণে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় সড়ক বন্ধ রাখে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পাশাপাশি সন্দেহভাজন বাহনগুলো তল্লাশি চালায় তারা। প্রতি বছর থার্টি ফার্স্ট নাইট ঘিরে নানা আয়োজন থাকে নগরীতে। তবে এ বছর আয়োজন ছিলো একেবারে সীমিত। নগরবাসী বলছেন, বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে বর্ষবরণ নিয়ে খুব একটা আগ্রহ নেই তাদের।
নগরবাসী জানান, রাষ্ট্রীয় শোকের জন্য এবার নতুন বছর পালন করা হচ্ছে না। তুলনামূলক অনেক কম আতশবাজি, ডিজে হয়েছে এবার।
আরও পড়ুন:
এই বছর রাজধানীর কোন পাঁচ তারকা হোটেলেই বর্ষবরণ ঘিরে ছিল না আলাদা কোন আয়োজন। ফলে এদিন তারকা হোটেলগুলোর সামনে ছিলো না ভিড়। মূলত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘিরে আগে থেকেই উন্মুক্ত স্থানে শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আতশবাজি, ফানুস উড়ানোতে নিষেধাজ্ঞা দেয় ডিএমপি। তাদের এই নিষেধাজ্ঞা যাতে কেউ অমান্য না করে সেজন্য রাতভর বিভিন্ন জায়গায় ছিলো পুলিশের টহল। এমনকি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বিশেষ ভ্যান ব্যবহার করে রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।
গুলশান বিভাগের ডিসি রওনক আলম বলেন, ‘মোটরসাইকেল, সন্দেহভাজনদের গাড়িগুলো চেক করছি আমরা। পাশাপাশি আমাদের গুলশান থানারই ২৪টা পয়েন্টে আমাদের ফোর্স মোতায়েন রয়েছে। যেসব হোটেলে আমাদের বিদেশি গেস্টরা আছে সেখানে আমাদের ফোর্স মোতায়েন আছে। পাশাপাশি বনানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আমাদের ফোর্স মোতায়েন করা আছে।’
তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেও কিছু কিছু জায়গায় আতশবাজি ও পটকার শব্দ শোনা যায়।





