আজ (শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, রুই-কাতলা থেকে চিংড়ি সব মাছের বাড়তি দর। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
স্বল্প আয়ের মানুষের ভরসা পাঙ্গাশ আর তেলাপিয়ার দাম রয়েছে আগের মতই। বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে সরবারহ কম থাকায় দাম কিছুটা বাড়তির বাঙালীর প্রধান খাদ্যের। বয়লার মুরগির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। প্রতি কেজি বয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা বলছেন, গত পাঁচ-ছয় মাসের মধ্যে বন্যা, অতিবৃষ্টি ও গরমে অনেক খামারে ডিম পাড়া মুরগিসহ বয়লার মুরগি মারা যায়। পরে অনেক খামারি নতুন করে আর মুরগি পালন শুরু করেননি। এ ছাড়া সাম্প্রতিক লোডশেডিং পরিস্থিতির কারণেও খামারে মুরগি পালন কমেছে। এসব কারণে বাজারে ডিম-মুরগির দাম কিছুটা বেশি।
আরও পড়ুন:
ক্রেতাদের একজন বলেন, ‘আমার আয় কম। মাংসের মধ্যে মুরগিই মূলত কেনা হয়। সেটির দামই কমছে না।’
গত সপ্তাহের তুলনায় বাজারে সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ৩০ টাকার মতো বেড়েছে। গতকাল প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হয়েছে ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকা। তবে হাইব্রিড সোনালি বা কালারবার্ড মুরগির দাম কিছুটা কম, কেজি ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা।
মুরগীর বাজারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মাছের দাম। রুই, কাতলা, পাবদা, তেলাপিয়া, পাঙাশ মাছ কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আড়াই-তিন কেজি ওজনের রুই মাছ ৪০০ টাকা এবং কাতলার কেজি ৪২০ টাকা রাখেন বিক্রেতারা।
সবজির দাম অনেকটা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। বেশির ভাগ সবজির কেজি এখন ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে। ১০০ টাকার ওপরে দাম রয়েছে বরবটি, বেগুন ও কাঁচা মরিচের।
স্বস্তি নেই মুদিপণ্যেও। তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বেড়েছে আগেই। আটা ময়দার দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা।
বাজারে পোলাও চাল বা সুগন্ধি চালের দাম এখনো ২০০ টাকার আশপাশে। সম্প্রতি পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা জানান, সুগন্ধি চাল রপ্তানির উন্মুক্ত সুযোগ থাকায় দেশের অভ্যন্তরে সরবরাহ সংকট থেকে দাম বাড়তি। এ জন্য তারা রপ্তানি কমানোর দাবি জানান।




