বৈশাখের মাঝামাঝি সময়ে, গ্রীষ্মকালের বৃষ্টিতে অনেক বাজারে পানি জমে ক্রেতা বিক্রেতার ভোগান্তি বাড়লেও সবজির সরবরাহ অনেকটাই স্বাভাবিক।
বাজারে চিচিঙ্গা, বরবটি, মুলা, লাউ এর দাম আগের মতোই আছে। দর ৫০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে। তবে, গত সপ্তাহের তুলনায় ২০ টাকা কমে শসা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। আর বেগুন মিলছে ৮০ টাকায়। এই সপ্তাহে ২০ টাকা বেড়ে কাঁচা পেঁপের দর ঠেকেছে ১২০ টাকায়। টমেটো ৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। ক্রেতারা বলছেন, নানা অজুহাতে অনেক সবজির দর বেশি চাচ্ছেন বিক্রেতারা।
ক্রেতারা জানান, আয়ের তুলনায় ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। বাজারে পণ্যর দাম বেশি মনে হচ্ছে তাদের।
বিক্রেতারা বলেন, টমেটো ৬০ টাকা, শশা ১০০টাকাতে বিক্রি করা হচ্ছে, লাউ ৬০ টাকা।
তবে, বিক্রেতারা জানান, নানা জেলায় বৃষ্টির জন্য নষ্ট হচ্ছে মরিচ, ঢেঁড়সসহ কিছু ফসল। একারণেই, কারওয়ান বাজারে কাঁচামরিচের কেজি গেলো সপ্তাহের চেয়ে ৫ টাকা বেড়ে পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা।
আরও পড়ুন:
এদিকে, বৃষ্টিতে কারওয়ান বাজারে অনেক স্থানেই জলাবদ্ধতার কারণে পানি-কাঁদায় ভোগান্তি বেড়েছে সকলের।
ক্রেতারা জানান, বাজারে তেলের সংকট ছিলো এখন আবার বন্যা। সবজির দাম চড়া।
রাজধানীর বাজারে মাছের দর নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ক্রেতাদের। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কেজিতে ২০ টাকা করে দর বেড়েছে কাতলা, টেংড়া মাছের। কার্প রুই মিলছে ২৫০ থেকে ২৮০ টাকার মধ্যে। তবে, দাম কিছুটা কমেছে পাবদা, চিংড়ি মাছের।
ক্রেতাদের একজন বলেন, ‘মাছের জোগান কম। বাজারে মাছের দাম অনেক বেশি।’
এদিকে বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম বাড়ার পর বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। বিক্রেতারা জানান, মার্কেটে পুরাতন দামে এখনো তেল বিক্রি হচ্ছে। এক লিটার তেলের দাম ১৯৫ টাকা।
বাজারে সোনালী, কর্ক, দেশি মুরগী গত সপ্তাহের তুলনায় দাম বাড়েনি,এ সপ্তাহে অপরিবর্তিত রয়েছে বয়লার মুরগির দর।





