সবজি, মুরগি ও মাছের দামে ঊর্ধ্বগতি; বাজার মনিটরিংয়ে জোর দাবি

রাজধানীর বাজারে ফিরছে না স্বস্তি
রাজধানীর বাজারে ফিরছে না স্বস্তি | ছবি: এখন টিভি
0

মৌসুমের শুরুতে সবজির দাম তুলনামূলক কম থাকলেও গত কয়েক সপ্তাহে তা কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। একই সময়ে মুলা, ফুলকপি ও শিমের দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা করে বেড়েছে। অন্যদিকে, ডিমের দাম কিছুটা কমলেও মুরগি ও মাছের দামে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফলে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে গিয়ে বাড়তি চাপের মুখে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা। তাদের মতে, বাজারে নিয়মিত ও কার্যকর মনিটরিং জোরদার করলে দাম নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে এবং কিছুটা স্বস্তি ফিরবে।

সকাল থেকে আজ (শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ভরা মৌসুমেও সবজির দাম বাড়তি দেখা গেছে। খুচরা পর্যায়ে প্রতি পিস লাউ ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিমের দাম কেজিপ্রতি ৬০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা এবং ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমে বর্তমানে ৫০ টাকায় নেমেছে।

সবজি বিক্রেতারা জানান, রসুন প্রকারভেদে খুচরা বাজারে ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাঁদের দাবি, গত সপ্তাহের তুলনায় কোনো সবজির দাম কমেনি।

সবজির পাশাপাশি মাছ ও মুরগির বাজারেও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। পাঙাশ, রুই ও তেলাপিয়ার দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দামও কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে।

আরও পড়ুন:

মুরগি ব্যবসায়ীরা জানান, গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি) যেখানে ব্রয়লার মুরগি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে; আজ তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭৫ থেকে ২৮০ টাকায়।

মাছ ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে রুই মাছ কেজিপ্রতি ৩০০ টাকায়, তেলাপিয়া ও মিরকা মাছ ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে, ডিমের দাম স্থিতিশীল থাকলেও চালের দাম কেজিপ্রতি ৩ থেকে ৭ টাকা বেড়েছে।

বাজারের এমন পরিস্থিতিতে নিত্যপণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, সিন্ডিকেট ও সরকারের পর্যাপ্ত মনিটরিংয়ের অভাবে দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না। ক্রেতাদের আশা, নিয়মিত তদারকি জোরদার করা হলে বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে।

তবে বিক্রেতাদের মতে, জানুয়ারির শেষ দিকে সরবরাহ বাড়লে সব পণ্যের দামই কিছুটা কমতে পারে।

জেআর